People Voice
খেলাধূলা

অসহায় আত্মসমর্পণ ফ্রান্সের, ১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন

পুরো ম্যাচজুড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেদের কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রেখে দাপুটে ফুটবল খেলেছে স্পেন। লামিন ইয়ামালের জেতানো পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে পেদ্রো পোরোর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।
ডালাসে বুধবার (১৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রাখে স্পেন। ২০তম মিনিটে লুকা দিনিয়ের ফাউলে পেনাল্টি পায় লা রোহা। দুই মিনিট পর স্পটকিক থেকে মাইক মেনিয়াঁকে পরাস্ত করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।
গোল হজমের পরও কাঙ্ক্ষিত ছন্দে ফিরতে পারেনি দিদিয়ের দেশমের দল। কিলিয়ান এমবাপ্পে, উসমান দেম্বেলে কিংবা মাইকেল অলিসে—কেউই স্পেনের সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেননি। প্রথমার্ধেই চোটে উইলিয়াম সালিবাকে হারানো ফ্রান্সের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে।
বিরতির পরও আধিপত্য ধরে রাখে স্পেন। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে দুর্দান্ত ওয়ান-টু খেলে বক্সে ঢুকে নিচু শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পেদ্রো পোরো। কয়েক মিনিট পর লামিন ইয়ামাল বল জালেও জড়িয়েছিলেন, তবে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
দ্বিতীয় গোল হজমের পর কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে ফ্রান্স। এমবাপ্পের কয়েকটি প্রচেষ্টা এবং অরেলিয়েঁ চুয়ামেনির হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বদলি দেজিরে দুয়েরও একটি ভালো সুযোগ ছিল, কিন্তু উনাই সিমনের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি লে ব্লুরা।
অন্যদিকে স্পেন ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগও তৈরি করে। ফেরান তোরেসের হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়, আর শেষদিকে নিকো উইলিয়ামসও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানের দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন। এই জয়ে ২০১০ সালের পর প্রথমবার এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠল লা রোহা। আর টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে হতাশায় বিদায় নিল কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।

Related posts

‘অবিশ্বাস্য’ মেসিতে মুগ্ধ ইয়ামাল

News Desk

বিপিএলে দল গড়তে কে কত খরচ করল

fz@admin

টি–টোয়েন্টিতে লিটন অধিনায়ক, শেখ মেহেদী সহ অধিনায়ক

News Desk