বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১–০ এগিয়ে আছে স্পেন। পেনাল্টি থেকে প্রথমার্ধে একমাত্র গোলটি করেছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। প্রথমার্ধে চেনা রূপে দেখা যায়নি ফ্রান্সকে।
ম্যাচের ২০ মিনিটে লুকাস দিনিয়ে বক্সের ভেতরে অসাবধানতাবশত লামিনে ইয়ামালকে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় স্পেন। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করেন ওইয়ারসাবাল।
এর কিছুক্ষণ পরই ফ্রান্সের দুশ্চিন্তা আরও বাড়ে। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার উইলিয়াম সালিবা।
এই বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে এতটা অস্থির আগে দেখা যায়নি। এত দিন তারা ছিল প্রায় অপ্রতিরোধ্য। কিন্তু দিনিয়ের বিপক্ষে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত, দেম্বেলের ওপর ফাউলের জন্য পাওয়া ফ্রি-কিক ভিএআরের মাধ্যমে বাতিল হওয়া এবং জুলস কুন্দের বিপক্ষে আরেকটি সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে ফরাসি খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্ষোভ জমতে দেখা যাচ্ছে। এখন দ্বিতীয়ার্ধে দিদিয়ের দেশমের দল ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষা।
বিরতির সময়ই পরিবর্তন আনল ফ্রান্স। পরিবর্তনটি ছিল প্রত্যাশিতও। প্রথমার্ধে হলুদ কার্ড দেখা মিডফিল্ডার আদ্রিয়াঁ রাবিওর বদলে মাঠে নেমেছেন রোমার মিডফিল্ডার মানু কোনে।
ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় থাকা ফ্রান্স এখন আরও বড় বিপদে পড়ল। তারা পিছিয়ে গেল ২–০ গোলে। ৫৮ মিনিটে গোলটি করেছেন পেদ্রো পোরো।
গোলটি অনেকটাই নিজের চেষ্টায় তৈরি করেন পোরো। দানি ওলমোর সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে পড়েন পরো। এরপর দারুণ স্থিরতায় মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান তিনি।
মনে হচ্ছিল লামিনে ইয়ামাল গোল করে ম্যাচ সিলাগালা করে দিয়েছেন। কিন্তু ৬৪ মিনিটে করা ইয়ামালের গোলটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে।
