আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। মাঠভরা ফসলে হাসি ফুটেছিল কৃষকের মুখে। তবে সেই হাসি ম্লান হয়ে যাচ্ছে যত্নে করা ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে।
যেখানে এক মণ পেঁয়াজ উৎপাদনে কৃষকের খরচ পরেছে ১২শ’ টাকার উপরে, সেখানে তাদের লোকসান গুণে বিক্রি করতে হচ্ছে ৭শ’ থেকে ৯শ’ টাকায়।
বেশিরভাগ কৃষকই ধারদেনা করে চাষের জন্য জমি সেচসহ ও আনুষাঙ্গিক খরচ বহন করে। এদিকে আবার উচ্চ মূল্যের বীজ ও সারের জন্য ঋণের বোঝাও বাড়তে থাকে, যা পরিশোধের কথা ফসল বিক্রির টাকা থেকে। তবে কৃষকরা বলছেন, এই লোকসানে দেনা শোধ তো দূরের কথা, সংসার চালানোই কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, সরকারিভাবে এয়ার ফ্লো মেশিনের সহায়তায় কৃষকদের পেঁয়াজ সংক্ষণ করার কথা থাকলেও প্রয়োজনের বিপরীতে তা পর্যাপ্ত নয়। শুধুমাত্র ফরিদপুর জেলাতেই প্রায় দুই লাখ পেঁয়াজ চাষী আছে, যার বিপরীতে মেশিনের সংখ্যা ২ হাজার ১০০।
এমতাবস্থায় সরকারি সহায়তার মাধ্যমে পেঁয়াজ সংরক্ষণ ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করে কৃষকদের অধিকার রক্ষার দাবি পেঁয়াজ চাষীদের।
