People Voice
লিড নিউজ

অকটেন-পেট্রোলের মজুত যথেষ্ট, কোনো সমস্যা হবে না

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। যুগ্ম সচিব বলেন, আজকের দিনের মজুত পরিস্থিতি-টোটাল ডিজেল আছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন আছে ৩১ হাজার ৮২১ টন, পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন, ফারনেস অয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে অবস্থিত একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি আমাদের একমাত্র পরিশোধনাগার। সেখানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টনের মতো ক্রুড অয়েল এনে ওখানে পরিশোধন করা হয়। এ রিফাইনারি থেকে সারা বছরে বাংলাদেশের যে তেল দরকার তার মাত্র ২০ শতাংশ সরবরাহ নেওয়া হয়। এটা বন্ধ হয়ে গেলেও সরকারের কাছে আরও জ্বালানি তেলের বিকল্প আছে। কারণ সরকার সব সময় বিদেশ থেকে রিফাইন তেল আমদানি করে থাকে। তবে ইস্টার্ন রিফাইনারি এখনো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়নি। রিফাইনারির দুটি ইউনিট এখনো চালু আছে। আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পূর্ণদমে কাজ শুরু করতে পারবে।

মনির চৌধুরী বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ক্রুড অয়েলের একমাত্র সোর্স যেটা হরমুজ দিয়ে আসে সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত থেকে। সৌদির আরামকো এবং আরব আমিরাত থেকে এআলফ এরাবিয়ান বাইট ক্রুড যেটা সেটা আমরা আনি। এনে আমাদের রিফাইনারিতে আমরা সেটা পরিশোধন করি। কিন্তু যুদ্ধ ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার পরে মার্চ মাসে আমাদের যে সিডিউল ছিল সেটা আমরা আনতে পারিনি। আর এপ্রিল মাসেও একই অবস্থা চলছে। কিন্তু ফরচুনেটলি আমাদের মোটামুটি আগের যে মজুত ছিল সেটা দিয়ে আমরা কন্টিনিউ করে যাচ্ছিলাম।

তিনি বলেন, আমাদের ক্রুড অয়েলের একটা জাহাজ সৌদি আরবের ইয়াম্বু বন্দর থেকে স্টার্ট করে লোহিত সাগর হয়ে ভিন্ন চ্যানেলে চলতি এপ্রিলের লাস্ট উইকে কিংবা মে মাসের এক দুই তারিখের মধ্যে এসে পৌঁছাবে। সে পর্যন্ত আমরা সীমিত পরিসরে আমাদের ইআরএলটাকে চালু রাখব।

জানান, সারা দেশে গত ৩ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৯১৬টি অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ৫১০টি মামলা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে এবং ৪৫ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ডিজেল উদ্ধারের পরিমাণ হচ্ছে ৩ লাখ ৬ হাজার লিটার, অকটেন উদ্ধার হয়েছে ৩৯ হাজার ৭৭৬ লিটার, পেট্রোল ৮৭ হাজার ৯৫৯ লিটার। গত পরশু চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪৮ হাজার ৫০০ লিটার ফার্নেস অয়েল। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সারাদেশে সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৪২ হাজার ৩৬ লিটার অবৈধ মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

Related posts

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিবর্তনে সবাই একমত : আলী রীয়াজ

News Desk

নেপাল-ভুটানে বাংলাদেশের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হবে না : ভারত

News Desk

ড. ইউনূসের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক ১৬ এপ্রিল

News Desk