বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়া সফর অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকারের সহযোগিতা এবং দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। তিনি জানান, আগামী মাসের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সফরের মাধ্যমে চলমান বিভিন্ন বিষয়ে আরও দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা সম্প্রসারণে কাজ চলছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধার কথা বিবেচনা করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের জন্য ‘কিডস জোন’ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।
মাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ খাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্বচ্ছতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
