People Voice
অপরাধ

ভুয়া পিএইচডি ও পাসপোর্ট কেলেঙ্কারি

আইজিপি থাকার সময় বেনজীর আহমেদ ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) প্রোগ্রাম থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি নেন। এর পর থেকেই তিনি নামের আগে ‘ডক্টর’ ব্যবহার শুরু করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, ডক্টরেট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ন্যূনতম শর্ত পূরণের যোগ্যতা তাঁর ছিল না। স্নাতক ডিগ্রি ও শিক্ষাজীবনের সব পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক হলেও সেই শর্ত তিনি পূরণ করেননি বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তাঁর ডক্টরেট ডিগ্রি স্থগিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অন্যদিকে র‍্যাবের মহাপরিচালক থাকাকালে ২০১৬ সালে সরকারি চাকরির তথ্য গোপন করে বেসরকারি চাকরিজীবী পরিচয়ে পাসপোর্ট নবায়নের আবেদন করেন বেনজীর আহমেদ। বিষয়টি নিয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তর আপত্তি জানায় এবং র‍্যাব সদর দপ্তরে চিঠিও পাঠানো হয়। পরে র‍্যাবের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুরোধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর পাসপোর্ট নবায়ন করা হয়। ছবি ও আঙুলের ছাপও তাঁর বাসায় গিয়ে নেওয়া হয়।

সরকারি চাকরিবিধি ও পাসপোর্ট আইনের বিধান অনুযায়ী, এটি অনিয়ম হলেও এ ঘটনায় তখন কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে পাসপোর্ট কেলেঙ্কারির অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শেষে একটি মামলা করেছে। ওই মামলার তদন্ত এখনো চলমান।

সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা প্রথম আলোকে বলেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে যত অভিযোগ উঠেছে, এত অভিযোগ অন্য কোনো আইজিপির বিরুদ্ধে ছিল না। তাঁর লাগামহীন হয়ে ওঠার পেছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতাও ছিল। তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা উচিত।

Related posts

বনানীতে বহুতল ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে: ফায়ার সার্ভিস

News Desk

ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তা: ৩ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ

News Desk

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা বাতিল

News Desk