People Voice
ভ্রমণ

সুন্দরবনে কোথায় ঘুরবেন

সুন্দরবনের প্রতিটি কোণেই আছে অপার বিস্ময়। তবে সব জায়গায় ভ্রমণ অনুমতি পাওয়া যায় না। ঘোরার মতো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জায়গা হলো—

করমজল ও হাড়বাড়িয়া: মোংলার সবচেয়ে কাছের স্পট। করমজলে আছে হরিণ ও কুমিরের প্রজনন কেন্দ্র। হাড়বাড়িয়ায় কাঠের ট্রেইল ধরে হাঁটতে হাঁটতে দেখা যায় পদ্মপুকুর, ওয়াচ টাওয়ার থেকে বনভূমির অসাধারণ দৃশ্য।

কটকা ও কটকা সমুদ্র সৈকত: এখানে হাঁটতে হাঁটতে দেখা যায় হরিণের দল। একটু দূরেই লাল কাঁকড়ায় ভরা সৈকত আর বঙ্গোপসাগরের বিশালতা। এখানে বনের ভেতর দেড়-দুই কিলোমিটার হেঁটে সমুদ্র পর্যন্ত যেতে হয়।

দুবলার চর: রাসমেলার জন্য প্রসিদ্ধ এই দ্বীপে প্রতি বছর হাজারো মানুষ আসেন পূণ্যস্নানের জন্য। এখানেই হাজারো জেলে সমুদ্র থেকে মাছ ধরে শুটকি তৈরি করেন। জেলেরা সেখানে বছরে ছয় মাস থাকতে পারেন। পর্যটকরা শুটকি পল্লী ঘুরে জেলেদের কাজকর্ম দেখতে পারেন।

হিরণ পয়েন্ট: এটি সংরক্ষিত অভয়ারণ্য। এখানে কাঠের রাস্তা ধরে এগোতে গেলে হরিণ, বানর, নানা পাখি চোখে পড়ে। ভাগ্যে থাকলে রয়েল বেঙ্গল টাইগারও সামনে এসে দাঁড়াতে পারে।

বনের ভেতরে প্রবেশ করতে হলে বন বিভাগের অনুমতি আবশ্যক। অনুমতির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে যেতে হয়। ভ্রমণের অন্তত তিন দিন আগে আবেদন করতে হয়। এ কারণে অন্তত পাঁচ দিন আগে ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।

ড্রোন ওড়ানো, আগ্নেয়াস্ত্র বহন কিংবা বন্যপ্রাণীকে বিরক্ত করার মতো কাজ সুন্দরবনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন বিভাগ এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকে।

২০২৩ সাল থেকে সুন্দরবনের ভেতর প্লাস্টিক ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। তাই প্লাস্টিক বোতল বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক সঙ্গে নেওয়া যাবে না। এর বদলে ব্যবহার করতে হবে ধাতু বা কাঁচের বোতল।

Related posts

কেন যাবেন সুন্দরবনে

News Desk

পর্যটনের জন্য খুলেছে সুন্দরবনের দুয়ার

News Desk

বিশ্বের ট্রাভেল ও পর্যটনকে হাতের মুঠোয় এনেছে ওটিএ

fz@admin